- বানিজ্য মন্ত্রনালয় গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- প্রথম বানিজ্যমন্ত্রীঃ মুজিবনগর সরকারের এম মনসুর আলী।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তৈরি পোশাক থেকে।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বস্ত্র রপ্তানীতে বাংলাদেশ বিশ্বে- ২য় তম (২০২২)
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে, দ্বিতীয় দেশ জার্মানি
- সবচেয়ে বেশি আমদানি করে- চীন থেকে।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি- চীনের সাথে (দ্বিতীয়- ভারত)।
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে- যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা- জাপান।
- বাংলাদেশ দেশ হিসেবে বেশি সাহায্য পায় জাপান থেকে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বিভিন্ন বাণিজ্য ও ব্যবসায়ের মোকাবিলায় বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের একটি শাখা।
মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের খাদ্য ও সংস্থার ঘাটতি মেটাতে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের ট্রেডিং কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৬ সালে ট্রেডিং কর্পোরেশনের কাঠামোর সংস্কার করে এবং এর কর্মীদের সংখ্যা হ্রাস করে। এটি বাংলাদেশে জরুরি অবস্থার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানি করে এবং কিছু আইটেম রফতানিও করে।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) একটি জাতীয় বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান যা আমদানির উপর শুল্ক স্থাপন, স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষা, এবং বাংলাদেশে বিদেশি পণ্যের ডাম্পিং নিয়ন্ত্রণ করে।
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন পূর্ব নাম পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশন। এটি পূর্ব পাকিস্তান আমলে আবিষ্কার করা হয়। কমিশনটি ১৯৭৩ সালের ২ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কমিশন দেশীয় শিল্প সুরক্ষা এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়বদ্ধ। কমিশন তার নিজস্ব কমিশনার অনুযায়ী দুর্বল। ২০০৭ সালে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ভারতীয় চিনি রফতানিকারীদের ডাম্পিং বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ সরকারের একটি সংস্থা। এটা জাতির রপ্তানি শিল্পের উন্নয়নশীলতার জন্য দায়বদ্ধ।
২০শে আগস্ট এবং ৮ই নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে প্রাথমিক ঘোষণা করা হয়। পরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো অধ্যাদেশ ১৯৭৭ সালে কার্যকর করা হয় এবং এর ফলে ইপিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্বশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি গবেষণার মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের উন্নতি সাধন করে। এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। আলী আহমেদ হলেন এই প্রতিষ্ঠান প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট ২০০৩ সালে বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি শুরু হয় মন্ত্রণালয়ের সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে। বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি বিশেষ পর্ষদ দ্বারা এটি পরিচালিত হয়। দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই পরিচালনা পর্ষদের অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ইংরেজি: Bangladesh Investment Development Authority) সংক্ষেপে বিডা, বাংলাদেশের বেসরকারি খাতকে বেগবান করতে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে গঠিত একটি সরকারী সংস্থা। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে এটি গঠন করা হয়। বিনিয়োগ বোর্ড ও বেসরকারীকরণ কমিশন একীভূত করে এই সংস্থা গঠিত হয়।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৯ সালে বিনিয়োগ বোর্ড গঠন করে। অন্যদিকে সরকারি লোকসানি প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সরকার একটি বেসরকারীকরণ বোর্ড গঠন করে। যেটিকে ২০০০ সালে বেসরকারীকরণ কমিশনে রূপান্তর করা হয়।
উভয় সংস্থা তাদের গঠনের উদ্দেশ্য পূরণে ভূমিকা রাখতে পারছিল না। ফলে এ বিষয়ে সমালোচনা তৈরি হয়।
২০১৪ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিনিয়োগ বোর্ড ও বেসরকারীকরণ কমিশনকে একীভূত করার নির্দেশ দেয়। একই বছরের ৩০ এপ্রিল সাত সদস্যের আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কমিটির প্রণয়ন করা আইন মন্ত্রিসভার কমিটিতে অনুমোদিত হয়। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬’ পাস হয়।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Bangladesh International Development Authority
Bangleadesh Investment Development Authority
Bangladesh Invest Development Access
Bangladesh Investment Developing Authority
Read more